ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​ছয় সংস্থা বিলুপ্ত করে গঠিত হচ্ছে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ১৯-০৪-২০২৬ ০৭:৪২:১৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৯-০৪-২০২৬ ০৭:৪২:১৮ অপরাহ্ন
​ছয় সংস্থা বিলুপ্ত করে গঠিত হচ্ছে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’
দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরো গতিশীল ও সমন্বিত করতে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বিডা, বেপজা, বেজাসহ গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি সরকারি সংস্থাকে বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সংস্থাকে একীভূত করে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি নতুন দপ্তর গঠন করা হবে।

বিলুপ্ত হতে যাওয়া সংস্থাগুলো হলো বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।

রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৬ সংস্থা বিলুপ্ত করে গঠন করা হচ্ছে বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা নামের নতুন দপ্তর; যেখানে থাকবে না কাগুজে নথির চল। চালু করা হবে ডি নথি।

প্রসঙ্গত, সহজ ব্যবসার সূচকের তালিকায় বরাবরই বাংলাদেশের অবস্থান পেছনের সারিতে। যেখানে এক দপ্তর থেকে কাগজপত্র নিয়ে অন্য দপ্তরে দৌড়াদৌড়ির জের নিয়ে অসন্তোষ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের। ফলে, বহুবছর ধরে দেশে নেই কাঙিক্ষত বিনিয়োগ। যার প্রভাবে তৈরি হচ্ছে না প্রত্যাশিত নতুন কর্মসংস্থানও।

এমন অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে চায় নতুন সরকার। এজন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বিনিয়োগবিষয়ক সব সেবা একই ছাতার নিচে নিয়ে আসার। তথ্য বলছে, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগের ফাইল প্রসেসিংয়ে জড়িত ছয়টি দপ্তর। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন। এসব প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করে নতুন একটি দপ্তর গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠান বিলুপ্তিকরণের যৌক্তিকতা, আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, জনবল স্থানান্তর, নতুন প্রতিষ্ঠানের অর্গানোগ্রাম তৈরির কাজ। গঠন করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি কমিটি। এছাড়া, কাগুজে ফাইলের চল বন্ধ করে সিদ্ধান্ত রয়েছে ডি-নথি পদ্ধতি চালুরও। সব খসড়া চূড়ান্ত করা হবে আগামী ২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে। 

প্রস্তাবিত একীভূতকরণ বাস্তবায়ন হলে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর হতে পারে। তবে এর আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা বিবেচনায় সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। সূত্র: চানেল২৪

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ